প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 28, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 19, 2026 ইং
রাকসু জিএসের অফিসে হামলার অভিযোগ, পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের ওপর হামলা, অফিস ভাঙচুর ও হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাতের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত ১০ আগস্ট রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলি আদালতে মামলাটি করেন সালাহউদ্দিন আম্মার। মামলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মো. আনাস, সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আজহারুল ইসলাম। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুর পৌনে ৩টার দিকে রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় জিএসের ২০২ নম্বর অফিসে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় সালাহউদ্দিন আম্মার দাপ্তরিক কাজ করছিলেন। অভিযুক্তরা লোহার রড, বাঁশ ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জোরপূর্বক তাঁর অফিসে প্রবেশ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অফিসে ঢুকে আসামিরা আম্মারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে তাঁকে কিল-ঘুষি দিয়ে মারধর করা হয়। একই সময় চেয়ার-টেবিলসহ অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার প্রতিবাদ করতে গেলে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব এবং মেহেদীকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে আনাস লোহার রড দিয়ে নাজমুস সাকিবকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন। আঘাত ঠেকাতে গিয়ে তাঁর ডান হাতে রক্তাক্ত জখম হয়। এ ছাড়া নাজমুস সাকিবকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে মাহিন মেহেদীর বাম কানে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এতে মেহেদী আহত হন। মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, তাঁর জানা মতে আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মামলার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, তাঁর সম্পাদকদের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁদেরও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করে তিনি মামলা করেছেন। আদালতে করা আবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭, ৩৪১, ৩৪৮, ৩২৪ ও ৪২৭ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ১৫১ সি/২৬ (মতিহার)। তবে মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। দৈনিক রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ |